o777 শুধু একটা বেটিং সাইট নয় — এটা বাংলাদেশের কোটি মানুষের ক্রিকেট প্রেম, বিনোদনের চাহিদা এবং নিরাপদ পেমেন্টের প্রয়োজনকে একসাথে সামলানোর চেষ্টা। ২০২২ থেকে আমরা আছি, এবং প্রতিদিন আরও ভালো হচ্ছি।
o777 তৈরি হয়েছিল একটা সহজ উপলব্ধি থেকে — বাংলাদেশের বেটিং উৎসাহীরা এমন একটা প্ল্যাটফর্ম চান যেটা তাদের কথা বলে। শুধু ইংরেজিতে নয়, বাংলায়। শুধু ক্রেডিট কার্ডে নয়, বিকাশ ও নগদে। শুধু বড় শহরের ব্যবহারকারীদের জন্য নয়, সারা দেশের মানুষের জন্য।
আমাদের লক্ষ্য সহজ: যেন রাজশাহীর কৃষক থেকে শুরু করে ঢাকার তরুণ পেশাদার — সবাই o777-এ সহজে ঢুকতে পারেন, খেলতে পারেন এবং নিরাপদে টাকা তুলতে পারেন। এই লক্ষ্য আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়।
তিন বছরে আমরা শিখেছি যে বিশ্বাস অর্জন করা যায় শুধু কাজের মাধ্যমে। প্রতিটি উইথড্রয়াল সময়মতো, প্রতিটি বোনাস প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, প্রতিটি সমস্যায় সাপোর্ট — এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই আমাদের আজকের অবস্থানে এনেছে।
বিকাশ ও নগদ পেমেন্টসহ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু। প্রথম মাসেই ১০,০০০ সদস্য।
বাংলাভাষী ডিলারসহ লাইভ বাকারা ও ব্ল্যাকজ্যাক চালু। ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়ায়।
৫ স্তরের ভিআইপি সিস্টেম এবং প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট চালু। প্রথম মেগা জ্যাকপট বিজয়ী পান ৳৩২ লাখ।
Android ও iOS অ্যাপ একসাথে প্রকাশ। উইথড্রয়াল সময় ৩ মিনিটে নামানো হয়। সদস্য সংখ্যা ২ লাখ পার।
ক্রিকেট মার্কেট ৫০+-এ উন্নীত, ন্যূনতম ডিপোজিট ৳১০০-এ কমানো, সদস্য সংখ্যা ৫ লাখ পার।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং — বিকাশ, নগদ ও রকেটে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল। মাত্র ৳১০০ থেকে শুরু, ৩ মিনিটে টাকা হাতে।
শুধু মেনু নয় — বোনাসের বিবরণ, নিয়মকানুন, পুশ নোটিফিকেশন, এমনকি লাইভ চ্যাট সাপোর্টও বাংলায়। নতুন ব্যবহারকারীরা কোনো ধাপে আটকে থাকেন না।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচে ৫০+ বেটিং মার্কেট — বল-বল, ওভার-বাই-ওভার, পার্টনারশিপ স্কোর। এই গভীরতা অন্য কোনো প্ল্যাটফর্মে পাবেন না।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, ব্যবহারকারীদের তহবিল আলাদা রাখা, দুই-স্তরীয় যাচাইকরণ — আপনার টাকা ও তথ্য সর্বোচ্চ নিরাপদ।
রাত তিনটায়ও সমস্যা হলে লাইভ চ্যাটে বাংলায় সাড়া পাবেন। গড় রেসপন্স টাইম ৩-৫ মিনিট — এটা আমাদের গর্বের বিষয়।
মাত্র ২৮ MB-এর Android APK — বাজেট ফোনেও মসৃণ চলে। ওয়ালটন বা স্যামসাং বাজেট সিরিজেও কোনো সমস্যা নেই।
তিন বছরে একটাও প্রমাণিত পেমেন্ট অস্বীকারের অভিযোগ নেই। প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।
জ্যাকপট পুলের পরিমাণ রিয়েল-টাইমে দেখানো হয়, বোনাসের শর্ত সহজ বাংলায় লেখা থাকে, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
পেমেন্ট থেকে শুরু করে সাপোর্ট — সবকিছু দ্রুত ও সহজ। আপনার সময় মূল্যবান, আমরা সেটা জানি।
গেমিং বিনোদন হওয়া উচিত, আসক্তি নয়। আমরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্বশীল গেমিং সরঞ্জাম অফার করি।
২০২২ সালে যখন o777 বাংলাদেশে আসে, তখন পরিস্থিতিটা ছিল অনেকটা এরকম: বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো বিদেশি বাজারের কথা মাথায় রেখে তৈরি, পেমেন্ট করতে হতো ক্রিপ্টো বা ডলার কার্ডে, সাপোর্টে লেখা হতো ইংরেজিতে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা এই জায়গাগুলোতে বাইরের মানুষ অনুভব করতেন।
o777 এই ফাঁকটা পূরণ করতে এসেছে। প্রথম দিন থেকেই বিকাশ ও নগদ সরাসরি সংযুক্ত ছিল — ব্যাংক ট্রান্সফার বা মধ্যবর্তী কোনো ধাপ ছাড়াই। বাংলাদেশের মানুষ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অভ্যস্ত, তাই এই সংযোগটা শুধু সুবিধার জন্য নয় — এটা বিশ্বাস তৈরির জন্যও দরকার ছিল।
ইন্টারফেস বাংলায় করার সিদ্ধান্তটাও সহজ ছিল না। অনেক কিছু বাংলায় অনুবাদ করা — যেমন বেটিং পরিভাষা, বোনাসের শর্তাবলী, পেমেন্ট নির্দেশিকা — এগুলো শুধু অনুবাদ করলেই হয় না, সহজ ও স্বাভাবিক করতে হয়। o777-এর দলে বাংলাদেশি কন্টেন্ট বিশেষজ্ঞ আছেন যারা এই কাজটা করেন।
পেমেন্টের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে আলাদা করে বলা দরকার। বেটিং শিল্পে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ হয় পেমেন্ট বিলম্ব বা প্রত্যাখ্যান নিয়ে। o777 এই ক্ষেত্রে কঠোর নীতি মেনে চলে — উইথড্রয়াল অনুরোধ পাওয়ার পর ৩ মিনিটের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। বড় পরিমাণের ক্ষেত্রে (৫ লাখের বেশি) একটু বেশি সময় লাগলেও সাধারণত ৩০ মিনিটের মধ্যে হয়ে যায়।
আমাদের টেকনিক্যাল দল ধারাবাহিকভাবে সার্ভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার উন্নত করছে। বিশ্বকাপ ক্রিকেট বা বড় টুর্নামেন্টের সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ একসাথে ঢোকেন — এই চাপ সামলাতে আমাদের সার্ভার ব্যবস্থা প্রস্তুত। আগে পিক সময়ে সাইট ধীর হওয়ার অভিযোগ আসত, সেটা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
ভিআইপি প্রোগ্রামটা o777-এর আরেকটা বিশেষ দিক। সাধারণত ভিআইপি মানে বড় বেটারদের জন্য কিছু অতিরিক্ত সুবিধা — এটা আসলে সাধারণ মানুষের জন্য নয়। o777-এ ভিআইপি প্রোগ্রামে ব্রোঞ্জ থেকে ডায়মন্ড পর্যন্ত পাঁচটি স্তর আছে এবং প্রথম স্তরে উঠতে বেশি সময় বা টাকা লাগে না। নিয়মিত খেলোয়াড় মাত্র — এটুকুই যথেষ্ট।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে o777-এর অবস্থান পরিষ্কার: বিনোদনের সীমা পেরিয়ে গেলে গেমিং ক্ষতিকর। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডেইলি ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করার সুবিধা আছে এবং সাপোর্ট টিম এই বিষয়ে সহায়তা দেয়। আমরা বিশ্বাস করি একজন সুখী ও সুস্থ ব্যবহারকারীই দীর্ঘমেয়াদে আমাদের জন্যও ভালো।
সামনের পরিকল্পনায় আছে আরও বেশি বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক কন্টেন্ট — কাবাডি বেটিং, BPL-এ বিশেষ প্রোমোশন, এবং আরও বেশি স্থানীয় পেমেন্ট মেথড। o777 বাংলাদেশে শুধু ব্যবসা করতে আসেনি — এখানে থাকতে এসেছে।
তৃতীয় পক্ষের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে পরিচালিত। নিয়মিত অডিট ও নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাই।
আপনার প্রতিটি লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইন ব্যাংকিংয়ের সমতুল্য নিরাপত্তায় সুরক্ষিত।
ব্যবহারকারীদের জমা অর্থ কোম্পানির পরিচালন তহবিল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা হয়।
তিন বছরে কোনো প্রমাণিত পেমেন্ট অস্বীকার বা অযৌক্তিক বিলম্বের অভিযোগ নেই।
শিল্পের গড়ের চেয়ে বেশি। তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষায় প্রতিবছর যাচাই করা হয়।
ডিপোজিট সীমা, স্বেচ্ছায় বিরতি ও সচেতনতা সরঞ্জাম — আপনার সুস্থতা আমাদের দায়িত্ব।
o777-এর পেছনে একটা বৈচিত্র্যময় দল কাজ করে — প্রযুক্তি, ফিনান্স, কাস্টমার সার্ভিস ও কন্টেন্ট। দলের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাদেশি, যারা স্থানীয় সংস্কৃতি ও ব্যবহারকারীদের চাহিদা ভালো বোঝেন।
কাস্টমার সার্ভিস দলটা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২৪ ঘণ্টা সাতদিন বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট দেওয়া মানে দলটাকে শিফটে কাজ করতে হয় — এটা সহজ নয়, কিন্তু আমরা এই প্রতিশ্রুতি থেকে সরিনি।